বাংলাদেশে অনলাইন শপ ব্যবসা কিভাবে শুরু করবেন এবং কিভাবে সেল পাবেন তার A to Z গাইডলাইন।

অনলাইন শপ ব্যবসাঃ

আপনি অনলাইনে বিজনেস করতে চাচ্ছেন।

তাহলে, আমি ধরে নেবো আপনার অফলাইন এ আগে থেকে ব্যবসাটি আছে এবং আপনি আপনার অফলাইন বা দোকান – শোরুমে যে ব্যবসাটি আছে সেটি এখন অনলাইনেও নিয়ে আসতে চাচ্ছেন যাতে আপনি ফেসবুক বা ওয়েবসাইট এর মাধ্যমে আপনার পন্য সহজে অনেক বেশি মানুষের কাছে বিক্রি করতে পারেন।

অথবা ধরেই নিলাম, আপনি সম্পূর্ণ নতুনভাবে পূর্ব কোন অভিজ্ঞতা ছাড়াই অনলাইনে ব্যবসা করতে চাচ্ছেন। সেক্ষেত্রে, এই লেখাটি আপনাকে একটি পরিষ্কার গাইডলাইন দিবে। যা আপনি স্টেপ বাই স্টেপ ফলো করতে পারেন।

আপনি কেন অনলাইনে ব্যবসা করবেন?

কারণ, অনলাইনে ব্যবসা করা খুব ই সহজ। আপনার শুধু প্রয়োজন হবে অল্প কিছু ইনভেস্টমেন্ট, পণ্য সিলেকশন, পণ্য উৎপাদনকারী বা পাইকারি ব্যবসায়ী খুঁজে বের করা, তাঁদের কাছ থেকে স্বল্প মুল্যে পণ্য ক্রয় করা এবং বেশি দামে অনলাইনে বিক্রি করা ফেসবুক বা ওয়েবসাইট এর মাধ্যমে উপযুক্ত ডিজিটাল মার্কেটার এর সাহায্য। আপনি শুধু পন্যের ছবি তুলবেন, অর্ডার নিবেন আর কুরিয়ারের মাধ্যমে সারা দেশে পন্য ডেলিভারি নিবেন। ব্যস, এটুকু কাজ ই আপনার!

অনলাইন বিজনেস আউটলাইনঃ

পণ্য সংগ্রহ বা নিজে উৎপাদন => ফেসবুক পেজ ও ওয়েবসাইট => ডিজিটাল মার্কেটার => কৌশলগত ডিজিটাল মার্কেটিং => সেল/বিক্রয়।

বাংলাদেশে মূলত অনলাইনে ফেসবুকের মাধ্যমে জামা কাপড়ের ব্যবসা ভালো চলে। বিশেষ করে লেডিস ফ্যাশন আইটেম ভালো চলে। পুরুষদের গেঞ্জি প্যান্ট ঘড়ি, সানগ্লাস, ব্লেজার কাপড়ও উপযুক্ত ফেসবুক মার্কেটিং এর মাধ্যমে ভালো বিক্রি হয়।

সাম্প্রতিকালে, যেহেতু মানুষ ঘরে বেশি সময় কাটাচ্ছে, একারণে, অনলাইনে বিভিন্ন হোম ডেকোরেশন আইটেম এর চাহিদা বেড়েই চলেছে। ঘর সাজানোর ফুলদানি, শো-পিচ আইটেম থেকে শুরু করে বালিশের কাভার, সোফা কাভার ও কুশন, বেডসিট, জানালার পর্দার বিক্রি তুঙ্গ স্পর্শী । বুদ্ধিমান ব্যবসায়ীরা অভিজ্ঞ ডিজিটাল মার্কেটার হায়ার করে অনলাইনে তাঁদের ব্যবসায়িক পন্যগুলো খুব সহজেই বিক্রয় করতে পারছে।

এছাড়া, বাহারি বিভিন্ন ইলেকট্রিক আইটেম যেমন সৌখিন সিলিং ফ্যান ও ফেয়ারি লাইটিংও প্রচুর বিক্রি হচ্ছে।

উদাহরণ, আমার নিজেরই এক ক্লায়েন্টকে আমি ফেসবুক মার্কেটিং এর মাধ্যমে প্রায় ৬ লাখ টাকার ফ্যান বিক্রি করে দিয়েছি। তার একটি ইলেকট্রিক আইটেমের শো-রুম আছে। তার ইচ্ছা ছিল সে অনলাইনেও তার প্রোডাক্ট গুলো সেল করবে। সে তার সম্পূর্ণ ডিজিটাল মার্কেটিং এর দায়িত্ব আমাকে দিয়েছিল এবং আমি তাঁর বিজনেসের ডিজিটাল প্রেজেন্স তৈরি করে, স্ট্রেটেজিক ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে প্রতি মাসে প্রায় ৬ লাখ টাকার প্রোডাক্ট বিক্রি করে দিয়েছিলাম শুধুমাত্র অনলাইনে। সারা বাংলাদেশ থেকে সে তাঁর প্রোডাক্ট এর অর্ডার পায় এবং এস.এ. পরিবহন অথবা পাঠাও এর মাধ্যমে কুরিয়ারে তাঁর পণ্য ক্রেতার নিকটে পাঠিয়ে দেয়।

আমি তাঁর বিজনেসের ডিজিটাল মার্কেটিং এর প্লান সাজিয়েছিলাম নিম্নোক্তভাবেঃ

পেইড মার্কেটিংঃ

ফানেল ১ঃ

ফেসবুক বিজনেস পেজ =>ফেসবুক এড ক্যাম্পেইন=> ই-কমার্স ওয়েবসাইট => সম্ভাব্য কাস্টমার ডেটা ট্র্যাকিং => রি-টার্গেটিং সম্ভাব্য কাস্টমার => প্রোডাক্ট সেল/বিক্রয়।

ফানেল ২ঃ

ফেসবুক বিজনেস পেজ => ফেসবুক এড ক্যাম্পেইন => ফেসবুক মেসেঞ্জার => সম্ভাব্য কাস্টমার মেসেঞ্জার চ্যাট অটোমেশন উইথ প্রোডাক্ট শো-কেস => প্রোডাক্ট সেল/বিক্রয়।

ফানেল ৩ঃ

প্রোডাক্ট রিলেটেড ইউজার সার্চ ওয়ার্ড রিসার্চ => পেইড গুগল ইঞ্জিন সার্চ মার্কেটিং উইথ গুগল এডস => ই-কমার্স ওয়েবসাইট => সম্ভাব্য কাস্টমার ডেটা ট্র্যাকিং =>রি-টার্গেটিং সম্ভাব্য কাস্টমার উইথ গুগল এডস => প্রোডাক্ট সেল/বিক্রয়।

অর্গানিক মাকেটিংঃ

ফানেল ৪ঃ

প্রোডাক্ট সেলিং কি-ওয়ার্ড রিসার্চ => প্রোডাক্ট রিলেটেড আর্টিকেল রাইটিং =>অনপেজ এস.ই.ও => অফপেজ এস.ই.ও => লোকাল এস.ই.ও => ই-কমার্স ওয়েবসাইট => প্রোডাক্ট সেল/বিক্রয়।

এবার আসি, এত কিছু কাজ কেন করতে হল?

অনলাইন এ সফলভাবে বিজনেস করতে গেলে পেইড মার্কেটিং এবং অর্গানিক মাকেটিং দুটিই করতে হয়। পেইড মার্কেটিং এর মাধ্যমে প্রোডাক্ট সেল রেজাল্ট তাড়াতাড়ি পাওয়া যায় প্রায় এক সপ্তাহ এমনকি দুই দিনের মধ্যে। আর অর্গানিক মাকেটিং এর মাধ্যমে রেজাল্ট অনেক ধীরে পাওয়া যায়, কমপক্ষে ৭-৮ মাস লাগে; তাও নিয়মিত প্রোডাক্ট সেল বা বিক্রয় পাওয়া যায় না।

ফেসবুক বা গুগল এ টাকা দিয়ে যখন প্রোডাক্ট এর বিজ্ঞাপন দেয়া হয় বা এডভারটাইজ করা হয় তখন সেটি হল পেইড মার্কেটিং।

আর, আপনি আপনার প্রোডাক্ট পিকচার গুলো ফেসবুক পেজে বা গ্রউপ এ দিয়ে বিক্রির যে আশা নিয়ে বসে থাকেন, সেটি হল অর্গানিক মাকেটিং।

একজন বিক্রেতা যিনি কিনা কাস্টমার এর জন্য অপেক্ষা করছেন, তীর্থের কাকের মত।
একজন বিক্রেতা যিনি কিনা কাস্টমার এর জন্য অপেক্ষা করছেন, তীর্থের কাকের মত।
আরও একজন প্রতীকী বিক্রেতা যিনি তাঁর প্রোডাক্ট গুলো ফেসবুক পেজে আপ্লোড করেছিলেন সেল পাবার আশায়। কিন্তু, কাঙ্ক্ষিত সেল না পেয়ে এখন হতাশ। বিভিন্ন ফেসবুক গ্রপে গ্রপে প্রোডাক্ট ছবি পোস্ট করে স্পামিং করতে করতে এবং বন্ধু-বান্ধবদের তাঁর প্রোডাক্ট পোস্ট শেয়ার করতে বলতে বলতে এখন বিপর্যস্ত। হয়তো সে ফেসবুকের মাধ্যমে অনলাইনে বিজনেস করার আশাই ছেড়ে দিয়েছে।
আরও একজন প্রতীকী বিক্রেতা যিনি তাঁর প্রোডাক্ট গুলো ফেসবুক পেজে আপ্লোড করেছিলেন সেল পাবার আশায়। কিন্তু, কাঙ্ক্ষিত সেল না পেয়ে এখন হতাশ। বিভিন্ন ফেসবুক গ্রপে গ্রপে প্রোডাক্ট ছবি পোস্ট করে স্পামিং করতে করতে এবং বন্ধু-বান্ধবদের তাঁর প্রোডাক্ট পোস্ট শেয়ার করতে বলতে বলতে এখন বিপর্যস্ত। হয়তো সে ফেসবুকের মাধ্যমে অনলাইনে বিজনেস করার আশাই ছেড়ে দিয়েছে।

সত্য বলতে, প্রোডাক্ট সেল একদিনে হয় না। আপনি ফেসবুক এ একটি বিজনেস পেজ খুলে প্রোডাক্ট এর ছবি আপলোড করতে থাকলেন, আর ভাবলেন আপনার প্রোডাক্ট বিক্রি হতে থাকবে! না বাস্তবে আসলে এমনটা হয় না।

আপনাকে মনে রাখতে হবে ফেসবুক একটি বিজনেস প্লাটফর্ম। আপনার প্রোডাক্টগুলো তখনই ফেসবুক অনেককে দেখাবে যখন আপনি ফেসবুক টাকা দিয়ে এডভারটাইজ করবেন বা বিজ্ঞাপন দিবেন।

ফেসবুকে বিজ্ঞাপন না দিয়ে আপনার মাঝে মাঝে ভাগ্য জোরে হয়তো দুই একটা প্রোডাক্ট সেল হতে পারে কিন্তু ধারাবাহিকভাবে রেগুলার প্রোডাক্ট সেল কখনই হবে না।

আবার, ফেসবুক বুস্টিং করে প্রোডাক্ট সেল করতে গেলেও আপনার টাকা ফাও নষ্ট হবে, কিন্তু আপনি সর্বাধিক প্রোডাক্ট সেল পাবেন না। এটি হল, কোন একজন চালক ছাড়া একটি কার ড্রাইভিং এর মত। যেটির কোন নির্দিষ্ট লক্ষ্য নেই। আর তাই, কাঙ্ক্ষিত ফলও নেই।

এভাবে আপনি ফেসবুক এ প্রোডাক্ট বুস্টিং করে সেল করতে গেলে শুধুমাত্র আপনার টাকাই নষ্ট হবে, কিন্তু রিটার্ন অন ইনভেস্টমেন্ট পাবেন না। অর্থাৎ, যে টাকা ইনভেস্ট করে এড দিয়েছেন সেটি তুলতে পারবেন না।

ফেসবুক এ আপনার প্রোডাক্ট গুলো মার্কেটিং এর জন্য এবং সেল পাবার জন্য ফেসবুক এলগরিদম জানতে হয়, কাস্টোমার ফানেলিং জানতে হয়।

সত্য বলতে কোন প্রোডাক্টই একদিন এ বিক্রি হয় না। প্রথমে আপনার প্রোডাক্ট সম্পর্কে কাস্টমার সচেতনতা তৈরি করতে হয়, তারপর কাস্টমারকে বিভিন্ন অফারের মাধ্যমে আপনার প্রোডাক্ট সম্পর্কে কৌতূহলী করতে হয় এবং অবশেষে বিভিন্ন ফানেলিং যা কিনা আমি উপরে কিছুটা ডায়াগ্রাম আকারে দেখিয়েছি সেগুলোর মাধ্যমে কাস্টমার কে রিটার্গেট করে বিভিন্ন প্রোডাক্ট সেল করতে হয়।

আর, কোন একটি প্রোডাক্ট যখন কোন একজন কাস্টমার কিনবে তখন তাঁর কাস্টমার ডেটা ট্রাক করে তাঁর কাছে আবার অন্যান্য প্রোডাক্ট আপসেল ও ক্রস সেল করতে হয়। অর্থাৎ, কেউ বেড সিট কিনেছিল, তো তাঁর কাছে এখন আপনি বালিশের কাভার বা জানালার পর্দা বিক্রি করার চেষ্টা করবেন এবং এভাবে প্রোডাক্ট বিক্রি হয়ে আসছে। কারণ, একজন কাস্টমার এর লাইফ টাইম ভ্যালু রয়েছে। সে শুধু একটি প্রোডাক্ট কিনেই থেমে যায় না। তাঁকে আরও প্রোডাক্ট কিনতে হয়।

আর এভাবে কাস্টমারদের যারা সাইকোলজিক্যালি ট্রিগার করে ও ট্র্যাকিং করে প্রোডাক্ট কিনতে বাধ্য করে তারা হচ্ছে ডিজিটাল মার্কেটার। তারা ফেসবুক ও গুগল এর পেইড মার্কেটিং ও ডেটা এনালিটিক্স ব্যবহার করে আপনার পণ্যের বিজ্ঞাপন এই সব প্লাটফর্ম দিতে সাহায্য করে এবং সর্বাধিক বিক্রয় নিশ্চিত করে।

চিকিৎসার জন্য যেমন ডাক্তার এর প্রয়োজন হয়, ঠিক তেমনি আপনার ব্যবসায়ের সার্বিক অনলাইন সেল বৃদ্ধির জন্য একজন ডিজিটাল মার্কেটার প্রয়োজন হয়।

এই যে আপনারা আমার এই লেখাটি পড়তে এসেছেন এবং অনেকে আমার ক্লায়েন্ট হয়েছেন তাঁদের ব্যবাসায়ের ডিজিটাল মার্কেটিং এর জন্য, এর পেছনের প্রধান কারণগুলো হচ্ছে আমি সফলভাবে আমার ডিজিটাল মার্কেটিং এর কৌশলগুলো এপ্লাই করতে পেরেছি আমার বিজনেস এর জন্য।

আমার বিজনেস মুলত বিভিন্ন ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের ডিজিটাল মার্কেটিং সার্ভিস প্রদান এবং আমার এই ওয়েবসাইটটির মাধ্যমে ক্যারিয়ার রিলেটেড বিভিন্ন অনলাইন কোর্স বিক্রয়। এছাড়াও, আমি কিছু হাই ডিমান্ড এর ই-কমার্স প্রোডাক্টও আমার এই ওয়েবসাইটটির মাধ্যমে বিক্রয় করে থাকি।

এখন, আমি মুলত উপরে বর্ণিত ফানেল গুলোর মাধ্যমেই সেল পেয়ে থাকি, ডিজিটাল মার্কেটিং এর সাহায্যে। আমি মূলত কি করি?

আমি প্রথমে পেইড ফেসবুক মার্কেটিং করি এবং তারপরে ধীরে ধীরে অর্গানিক মাকেটিং এ গুরুত্ব দেই, পেইড মার্কেটিং এর খরচ কমিয়ে নিয়ে আসার জন্য।

পেইড ফেসবুক মার্কেটিং আমাকে ইমেডিয়েট সেল ও পরিচিতি দেয়, কিন্তু অর্গানিক মাকেটিং আমাকে পরবর্তীতে দীর্ঘ মেয়াদে সুবিধা দেয়। পেইড ফেসবুক মার্কেটিং ছাড়া অর্গানিক মাকেটিং সফল হত না। একটির সাথে আরেকটি সম্পর্কিত।

আমি আমার কাস্টমারদের বা সার্ভিস গ্রহীতাদের প্রথমে একটি ফেসবুক টেস্ট এড ক্যাম্পেন এর মাধ্যমে আমার ওয়েবসাইট এ নিয়ে আসি।

Secret Sausage or Recipe for the Growth of My Business and Product Selling:

আমি এক্ষেত্রে, কমপক্ষে তিনটি টেস্ট ফেসবুক এড ক্যাম্পেন রান করি।

তারপর যারা ওই টেস্ট ফেসবুক এড ক্যাম্পেনগুলোর মাধ্যমে আমার ওয়েবসাইট এ আসে বিভিন্ন উপায়ে আমি তাঁদের ট্র্যাকিং করি।

ডেটা এনালিটিক্স ও ট্র্যাকিং এর সাহায্যে আমি ভিজিটর বা সম্ভাব্য কাস্টমারদের শ্রেনিবিভাগ করি।

তারপর মোস্ট ভ্যালুয়েবল ভিজিটর বা সম্ভাব্য কাস্টমারদের আমি রি- টার্গেট করে আমার রিলেটেড সার্ভিস ও প্রোডাক্ট গুলো তাঁদের কাছে সেল, আপসেল ও ক্রস সেল করি।

মোস্ট ভ্যালুয়েবল ভিজিটর বা সম্ভাব্য কাস্টমার পেতে আমি ইউজার বা ভিজিটর মেট্রিক্স ও ডেটা নিয়ে গবেষনা করি। অর্থাৎ, কোন ভিজিটর কত সময় আমার ওয়েবসাইট এর কোন লেখাটি পড়েছে, কত সময় আমার ওয়েবসাইট এ থেকেছে, কোন লেখাটি পড়তে পেজের কতটুকু স্ক্রোল করে নিচে গিয়েছে, কোন কোন বাটনগুলোতে বা প্রোডাক্ট গুলোতে ক্লিক করছে, ওয়েবসাইট এর কোথায় কোথায় মাউস পয়েন্টার নিয়ে গিয়েছে ইত্যাদি।

এই ডেটা গুলো নিয়েই আমি নেক্সট টাইমে যখন ফেসবুকে থাকবেন তখন আমি আপনাকে আমার প্রোডাক্ট ও সার্ভিস রিলেটেড এড গুলো দেখাবো এবং আপনাকে কিনতে সাইকোলজিক্যালি ট্রিগার করব। এবং অবিশ্বাস্য হলেও সত্য একসময় আপনি হয়তো আমার কোন একটি সার্ভিস বা প্রোডাক্ট নিবেন। এটাই হয়ে আসছে। (যদি আমি আপনাকে আমার বিজনেসের জন্য একজন ভ্যালুয়েবল ক্লায়েন্ট বা কাস্টমার মনে করি, কেবলমাত্র তখন আপনি আমার ফানেল এড ফেসবুকে বা গুগলে দেখতে পাবেন, আর তা না হলে কখনই নয়।)

দ্যাটস দ্য পাওয়ার অব ডিজিটাল মার্কেটিং অথবা অন্যভাবে বলতে এটাই ডিজিটাল মার্কেটিং এর ম্যাজিক। এখন, আপনার প্রয়োজন আপনার অনলাইন বিজেনেসের জন্য এমনি এক ম্যাজিশিয়ানের যে আপনার অনলাইন বিজনেস মার্কেটিং এর সম্পূর্ণ টাকাই রিটার্ন হিসেবে তুলে দিবে!

আর আপনি এখানে এসে এত সময় আমার লেখা পড়ছেন আমার পেইড এবং অর্গানিক ডিজিটাল মাকেটিং এর জাদুতে 🙂

যেহেতু, আমি বিগত ৩ বছর ধরে দেশে-বিদেশে বিভিন্ন ক্লায়েন্ট এর সাথে অনলাইন এ ডিজিটাল মার্কেটিং এর কাজ করছি, তাই, আপনি প্রয়োজনে আপনার প্রতিষ্ঠানের জন্য আমার ডিজিটাল মার্কেটিং সার্ভিস নিতে পারেন।

হয়তো আপনার এমন কোন প্রোডাক্ট আছে যা কিনা আপনি ফেসবুক এর মাধ্যমে অনলাইনে বিক্রয় করতে চাচ্ছেন। সেক্ষেত্রে, আমি আপনাকে নিম্নোক্ত সার্ভিস গুলো প্রদান করে থাকি। আপনি যেকোনো একটি প্যাকেজ গ্রহন করতে পারেন। এমনকি, আপনার অনলাইন বিজনেস পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করতে ফ্রি বিজনেস কন্সাল্টান্সি নিতে পারেন।

[rpt name=”digital-marketing-for-business”]

আজই আপনার অনলাইন ব্যবসা শুরু করতে এবং ডিজিটাল মার্কেটিং সার্ভিস নিতে যোগাযোগ করতে পারেন এই নাম্বার এ ০১৯৫২ ৮৮৫ ৪২১ অথবা মেসেজ দিতে পারেন আমার ফেসবুক পেজ এ।

Mahmud Sir

Data Driven Digital Marketer.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *