নিজের ওয়েবসাইটে লাখপতি কোর্স।

আমার পরিচয়:
আমি, মো: মাহমুদুর রহমান। (মাহমুদ স্যার)

মাহমুদ স্যার, একজন ইংরেজি শিক্ষক এবং অনলাইন ই-কমার্স বিজনেস কোচ।
মাহমুদ স্যার, একজন ইংরেজি শিক্ষক এবং অনলাইন ই-কমার্স বিজনেস ট্রেইনার।

আমি আমার স্টুডেন্টদের সাহায্য করি ইংরেজি ভাষা শিখতে এবং সাকসেসফুলি অনলাইন বিজনেস এ নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করে স্বাবলম্বী হতে।

Mahmud Sir About Page

হবেন নাকি নিজের ওয়েবসাইটে লাখপতি? হাহা।

আসুন, বিজনেস করি। সহজ ওয়েবসাইট বিজনেস।

কম খরচে বেশি টাকা লাভের বিজনেস।

একটা ওয়েবসাইট তৈরি করে আপনি কিভাবে লাখপতি হতে পারেন তার স্টেপ বাই স্টেপ কোর্স।

একটা ওয়েবসাইট তৈরি করে আপনি কিভাবে টাকা আয় করতে পারেন তার স্টেপ বাই স্টেপ কোর্স।

একটা ওয়েবসাইট কেনো তৈরি করবেন? 

কারণ,এখান থেকে প্রতি মাসে কমপক্ষে ৫০,০০০ টাকা আয় করা সম্ভব।

কিভাবে?

হাজারো উপায়ে। সহজ উপায়গুলো হলো: গুগল এডসেন্স, এফিলিয়েট; এছাড়া বই লিখে, কোর্স বানিয়ে, স্টুডেন্ট টিচিং করিয়ে ও বিভিন্ন ডিজিটাল প্রডাক্ট বানিয়ে বিক্রি করে।

ফ্রিল্যান্সিং থেকে আয় করা নাকি নিজের ওয়েবসাইট থেকে আয় করা কোনটি ভালো?

ফ্রিল্যান্সিং হলো অন্যের গাছে পানি দেয়ার মত। অল্প কিছু টাকা আপনাকে দিয়ে আপনাকে ভুতের বেগার খাটিয়ে সম্পূর্ণ ফল আপনার ক্লায়েন্ট নিবে। কখনও কী ভেবে দেখেছেন ফ্রিল্যান্সিং এ আপনি আসলে কী করছেন? ওয়েব ডিজাইনিং, গ্রাফিক ডিজাইনিং, ইমেজ এডিটিং, এস ই ও, অনলাইন মার্কেটিং, সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং, কোডিং – এইতো! এর বেশি কিছু তো নয়। এই সবই করছেন আপনার ক্লায়েন্ট এর ওয়েবসাইট এর জন্যে। কিন্তু ক্লায়েন্ট কেন তার ওয়েবসাইট এর জন্য এসব কাজ করছে? নিশ্চয় তার বড় একটা অংকের লাভ আছে! সে আপনাকে একজন শ্রমিকের মজুরি দিয়ে তিন দিনের কাজ করিয়ে নিচ্ছে। যেমন, ফাইভার নামক একটা দাস-দাসী কেনার জায়গা থেকে আপনাকে ৫ ডলার দিয়ে শ্রমিক হিসেবে কিনে নিয়ে নিজে ১,০০০ ডলার আয় করে নিচ্ছে। সেটা কী আসলেই সঠিক হচ্ছে! তাহলে, একজন ক্লায়েন্ট কেন ওয়েবসাইট তৈরি করছে এবং আপনি যদি সেই ব্যাপারগুলো বুঝতে পেরে নিজেই একটা ওয়েবসাইট তৈরি করে সেই একই বিজনেস বাংলাদেশে বসে করতে পারেন; সেক্ষেত্রে আপনাকে বুঝি আর পিছে ফিরে তাকাতে হবে না।

দরকার শুধু,

১। কিছুটা ইংরেজিতে লেখালেখির দক্ষতা।

২। ইস্টার্ন ব্যাংক ডেবিট কার্ড (একুয়া/লাইফস্টাইল কার্ড)

৩। একজন অভিজ্ঞ শিক্ষক ও তার সঠিক গাইডলাইন।

মজার ব্যাপার হচ্ছে, ইংরেজি লেখালেখির যে দক্ষতা বা ডেবিট কার্ড এর যে কথা বললাম সেটি লাগবে শুধুমাত্র তখনই যখন আপনি আপনার ওয়েবসাইট দিয়ে ইন্টরন্যাশনালি বিজনেস করতে চাইবেন।

আর তা না হলে, শুধুমাত্র বাংলা লেখালেখি করেই, বাংলা ভাষাতে একটা ওয়েবসাইট তৈরি করে আপনি মাসে কমপক্ষে ৫০,০০০ টাকা আয় করতে পারেন খুব সহজেই। সেক্ষেত্রে, আপনার লেখার ভাষা হতে হবে সুন্দর ও মার্জিত। যে দক্ষতা অলরেডি আপনার মধ্যে আছে।

আর সবথেকে সহজ যে সুবিধাটি আপনি পাচ্ছেন, সেটি হল, কোনরকম ইন্টারন্যাশনাল ডেবিট কার্ড বা ক্রেডিট কার্ড ছাড়াই, কেবল বিকাশ এর মাধ্যমেই আপনি আপনার যাবতীয় লেনদেন সেরে ফেলতে পারছেন। যেমনটা, আমি করে থাকি আমার লোকাল দেশীয় অনলাইন ওয়েবসাইট বিজনেজগুলো চালানোর ক্ষেত্রে।

হ্যা, ঠিকই ধরেছেন। আমি লোকালি এবং ইন্টারন্যাশনালি অনলাইন বিজনেজ করছি, আমার ঘরে বসে। আমার ছোট্ট ল্যাপটপ বা ৫০০০ টাকা দামের সিম্পনি এন্ড্রয়েড স্মার্টফোনটি দিয়ে। কী অবাক হলেন! যে স্যামসাং, অপো, আইফোন ছেড়ে একটা নরমাল ননব্রান্ড ফোন ইউজ করে বিজনেস করছে। কারণ, আমার কাছে কাজ এবং ফল টাই ইমপরটেন্ট। বিজনেস এ কত কম টাকা খরচ করে কত বেশি টাকা ফেরত পাওয়া যায় বা লাভ করা যায় সেটিই গুরুত্বপূর্ণ। আর আপনি যদি ঠিক এভাবে ঘরে বসে ওয়েবসাইট অনলাইন বিজনেস শুরু করতে চান, তাহলে আপনাকেও এই বিষয়গুলো অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে।

হুম, আমার চারটি অনলাইন  ওয়েবসাইট বিজনেস আছে। দ্ইুটি লোকাল অনলাইন ওয়েবসাইট বিজনেস এবং অপরদুটি ইন্টারন্যাশনাল অনলাইন ওয়েবসাইট বিজনেস। এই চারটি ওয়েবসাইট এর মধ্যে একটি একটি লোকাল অর্থাৎ দেশীয় অনলাইন ওয়েবসাইট ইকমার্স বিজনেস এবং একটি ইন্টারন্যাশনাল অনলাইন ওয়েবসাইট ইকমার্স বিজনেস।

এখন এই চারটি অনলাইন বিজনেস ওয়েবসাইটগুলো থেকে আমার রেভেনিউ বা ইনকাম প্রতিমাসে কেমন আসে, সেটি কখনই আমি আপনাকে বলব না। এগুলো হলো আমার সাইড বিজনেজ বা প্যাসিভ ইনকাম সোর্স। এই ওয়েব সাইটগুলো থেকে মাসে কত টাকা আয় হতে পারে সেটি আপনি নিজেই অনুমান করে নিবেন। আর অনুমান করতে কষ্ট হলে দয়া করে গুগল সার্চ করে নিবেন একটি পারসোনাল ওয়েব সাইট থেকে আসলে কত টাকা আয় করা সম্ভব! বর্তমান ডিজিটাল টেকনোলজির এই যুগে, সম্পত্তির সংজ্ঞা পাল্টে গিয়েছে। আমাদের বাপ-দাদার যুগে; বাড়ি এবং জমিকে সম্পত্তি ধরা হত। কিন্তু, এখনকার যুগে, শুধুমাত্র একটি ওয়েবসাইট কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি হয়ে যাচ্ছে। ফেসবুক, আমাজন আর কিছুই নয় শুধুমাত্র একটি ওয়েবসাইট মাত্র। কিন্তু বিলিয়ন ডলার সম্পত্তি। আপনি কী জানেন, আমাদের এই বাংলাদেশের দারাজ ডট কম, প্রিয় ডট কম, এমনকি টেন মিনিট স্কুল এই ওয়েবসাইটগুলো আসলে কত টাকা আয় করছে প্রতিটি দিন? হয়তো আপনার এই বিষয়ে এই মূহুর্তে কোন আইডিয়াই নেই; কারণ, আপনি এই বিষয়গুলো নিয়ে কখনই ভাবেন নি। ভাবুন, হ্যা এখন থেকেই। কাজে লাগবে। বেকার ঘরে বসে আর কত দিন? এত কষ্ট করে এতদিন পড়ালেখা করেছেন এবার নিজের পায়ে দাড়াবার চেষ্টা করুন। শুধুমাত্র চাকুরীর পেছনে কেন ছুটবেন? আপনার এলাকা দরিদ্র মানুষগুলোকে চাকুরী দেবারও চেষ্টা করুন। আর নিজের একটা অনলাইন সার্ভিস ওয়েবসাইট খুলেই আপনি নিজের এবং আরও ৫ জনের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারেন। অনলাইন সার্ভিস ওয়েবসাইট সম্পর্কে কোর্সে আরও ডিটেইলস আলোচনা করব।

ওকে, প্রসঙ্গে ফিরে আসি। আসলে দারাজ, প্রিয়, প্রথমআলো এমনকি টেনমিনিট স্কুল এরা আসলে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করছে তাদের ওয়েবসাইট থেকে। শুধুমাত্র, তাদের বিজনেস টেকনিক ভিন্ন। কেউ আয় করছে ইকমার্স ওয়েবসাই খুলে কাপড়, শাড়ি, গহনা, মোবাইল বা ইলেকট্রিক জিনিসপত্র বেচে; আর কেউ আয় করছে ফ্রি তথ্য বা ইনফোরমেশন দেখিয়ে অথচ বিভিন্ন কোম্পানীর বিজ্ঞাপন দেখিয়ে কোম্পানীগুলোর থেকে লাখ লাখ টাকা আয় করছে।

হুম, আপনিও পারেন এমন একটি লাভজনক ওয়েবসাইট তৈরি করতে। তবে এর জন্য আপনার প্রয়োজন সঠিক বিজনেস ফর্মূলা টা জানা এবং নিরন্তর কাজ করে যাওয়ার মানসিকতা।

তো, যা বলছিলাম… ফ্রিল্যান্সিং হলো অন্যের গাছে পানি দেয়া। অন্যদিকে নিজের একটি ওয়েবসাইট থাকা মানে কিছুটা দেরিতে হলেও সম্পূর্ণ ফল নিজেই ভোগ করতে পারবেন। এক্সট্রা হিসেবে আপনার একটা এক্সপেরিয়েন্স বা পোর্টফোলিও হয়ে যাবে আপনা ওয়েবসাইটটি। যদি ফ্রিল্যান্সিং করতে আপনার সত্যিই ইচ্ছা হয়, তাহলে পরবর্তীতে এই ওয়েবসাইটটি দেখিয়ে কাজ করবেন। অথবা, কোন একটা সার্ভিস ওয়েবসাইট যেমন (ফটো এডিটিং সার্ভিস, আর্টিকেল রাইটিং সার্ভিস ইত্যাদি) খুলে আপনার এলাকার কর্মহীন মানুষগুলোকে কাজ শিখিয়ে কর্মী বানাবেন। আর তারপর আপনি শুধুমাত্র এজেন্ট হিসেবে সার্ভিস ওয়েবসাইটটি দিয়ে আপনার ক্লায়েন্ট এর কাছ থেকে কাজ নিবেন আর টাকা আয় করবেন। এভাবে একজন সফল উদ্যোক্তা হয়ে দেশের বেকারত্ব দূরীকরণেও ভূমিকা রাখবেন। একটি সার্ভিস ওয়েবসাইটের জন্য কিভাবে ফরেন ক্লায়েন্ট খুঁজে পেতে হয় সেগুলো আমার সাজেটেড কোর্সগুলো থেকে আপনি সহজেই শিখতে ও জানতে পারবেন।

একটা কাপড়ের দোকান খুলতে; দোকান পজিশন, ভাড়া, প্রডাক্ট কস্ট সব মিলিয়ে প্রায় ১০ লাখ টাকা ইনভেস্ট করতে হতে পারে। অন্যদিকে একটা ওয়েবসাইট চালাতে বছরে মাত্র ৩,৫০০ টাকা থেকে ৮,০০০ টাকা খরচ হতে পারে। যেখানে, আপনি অনায়াসে আপনার মোবাইল ফোন ব্যবহার করে বেচা-বিক্রি করতে পারেন।

ফেসবুকেও তো কাপড়, গহনা, খেলনা ও অন্যান্য প্রডাক্ট বিক্রি করা যায়…?

হ্যা, যায়। কিন্তু সেখানে আপনার নিজের বলে কিছু থাকে না। যা কিছু  দিলেন উজাড় করিয়া ফেসবুক কে দিলেন। তারপর যত বেশি টাকা দিয়ে ফেসবুক বুস্ট করতে পারবেন তত টাকা সেল হবে। হাহা, এই থিওরি এখন আর কাজ করে না। সেল না পেলে  আপনি আপনি বেশি টাকা খরচ করবেন এই আশায় ফেসবুক লোকেদের কাছে আপনার প্রডাক্ট দেখানো কমিয়ে দেয় ব্যাপারটা এমনও না। সমস্যা হল একটি ওয়েবসাইট ছাড়া আপনি আপনার সঠিক কাস্টমার ডাটা ফেসবুক কে ঠিকমত দিতে পারছেন না। আর তাই আপনার ফেসবুকের থেকে প্রডাক্ট সেল ও কমে যাচ্ছে।

অন্যদিকে, আপনি ভাবছেন ফেসবুক যত টাকা দিয়ে আপনার পেজ বা প্রডাক্ট বুস্ট করবেন, তত আপনার প্রডাক্ট সেল হবে। এই বস্তা পঁচা গেম আর কতদিন! ফেসবুক একটা ওয়েবসাইট ঠিকানা উপর প্রতিষ্ঠিত কতগুলো যুক্তি দিয়ে তৈরি সফটওয়্যার মাত্র! ফেসবুক ভালো যদি আপনি ফেসবুক মার্কেটিং গেম ভালো বুঝেন। আর তা না হলে, ফেসবুক বুস্ট হচ্ছে একটা বোকার শব্দ মাত্র! ইমোশনাল হয়ে কোন ডেটা না পড়ে বুঝেই শুধু ফেসবুকে ৪০০-৫০০ ডলার দিয়ে বুস্ট করে যাবেন, আর দেখবেন কেবল ৪০ ডলার রিটার্ন এসেছে; এত টাকা ইনভেস্ট করার পরও! ধীরে ধীরে হতাশ হয়ে পড়বেন। বিজনেস করার আগ্রহই হারিয়ে ফেলবেন।

অন্যদিকে, আপনার যদি একটি ই-কমার্স ওয়েবসাইট থাকে তাহলে সেখান থেকে সহজেই আপনি আপনার প্রডাক্ট বিক্রি করতে পারবেন। শুধু জানতে হবে কিছু বিশেষ টেকনিক। অল্প কিছু টেকনিক কাজে লাগিয়ে প্রচুর কাস্টমার আপনার ওয়েবসাইট এ আনতে পারবেন। এমনকি আপনার যদি একটি ওয়েবসাইট থাকে, তবে ফেসবুকের কান ধরে কাস্টমার আদায় করে নিতে পারবেন!  উপায়গুলো আরও বিস্তারিতভাবে ফর্মূলাসহ কোর্সগুলোতে আলোচনা করেছি।

আর নয় অন্যের দ্বারে দ্বারে কাজের জন্য ঘুরে বেড়ানো। এবার নিজের একটি স্বপ্নের ওয়েবসাইট নিজে বানিয়ে লাখপতি হোন। শুরু করুন একটি লাভজনক ওয়েবসাইট বিজনেস। ওয়েবসাইট বানাতে প্রোগ্রামিং জানা লাগবে, এ কথা যারা বলে তাদের কথা ভুলে যান। তারা শুধু শুধুই আপনাকে কনফিউজড করে। আপনি ফেসবুকে আপনার বন্ধুকে মেসেজ দিচ্ছেন, গল্প করছেন আপনার কী প্রোগ্রামিং বা কোডিং জানা লাগছে? আপনার ঘরের লাইটে সুইচ অন করলেই আলো জ¦লে উঠছে; আপনাকে কী ইলেকট্রিশিয়ান হওয়া লাগছে? আপনাকে কী জানতে হচ্ছে লাইট কিভাবে জ¦লছে কী ফাংশন এর ভেতরে কাজ করছে? নিশ্চই না! আপনি ব্যবহারকারী, জাস্ট ব্যবহার করছেন। ঠিক তেমনি একটা ওয়েবসাইট বানাতে বা চালাতেও আপনার কোন ঝামেলা পোহাতে হবে না। একটা নতুন মোবাইল ফোন ব্যবহার করা শিখতে যতটা না সময় লাগে, একটা ওয়েবসাইট বানাতে বা চালাতে তার থেকেও কম সময় লাগে। এ যুগে এটা যেন আপনার কম্পিউটার বা ফোনে এপ ইন্সটল দেয়ার মত। এপ ইন্সটল দিন, গান শুনুন, ভিডিও দেখুন বা গেম খেলুন টাইপ ব্যাপার। হুমায়ুন আহমেদ স্যারের সৃষ্টি হিমু ও এসময়ে দরকার পড়লে একটা ওয়েবসাইট খুলে ফেলে তার বাবার হিতোপদেশ তুলে ধরতে পারত! হাহা। লেটস ফরগেট দ্যাট। তো যা বলছিলাম, আপনি এখন নব্বই দশকের কোন আমেরিকান ইঞ্জিনিয়ার জামাই নন, যে আপনাকে আপনার একটা লাভজনক ওয়েবসাইট খোলার জন্য কোডিং বা প্রোগ্রামিং শিখতে হবে! আপনি খুব সহজেই কয়েকটি মাউস ক্লিকের মাধ্যমেই ঠিক আপনার ফেসবুক আইডি খোলা মতই মাত্র ১৫ মিনিটে ঠিক আমার এই ওয়েবসাইটটির মত একটা ওয়েবসাইট তৈরি করে ফেলতে পারেন এবং মানথলি প্রচুর রেভেনিউ জেনেরেট করতে পারেন।

এই মূহুর্তে আপনার বিশ্বাস করতে কষ্ট হলেও একটা চ্যালেঞ্জ  নিয়েই দেখুন না। হয়ত আপনার জীবনটাই পালটে যেতে পারে এই ছোট্র একট কদম ফেলার জন্য। শুরু করাটাই আসল। হাজারো স্বপ্ন হারিয়ে যায় শুধুমাত্র প্রথম স্টেপটি না নেয়ার ফলে। আপনি নিশ্চয় সেই ব্যর্থদের দলে নিজের নাম লেখাতে চাইবেন না। কবি নিশ্চয় ভুল বলেন নি – “ ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বালুকণা, বিন্দু বিন্দু জল; গড়ে তোলে মহাদেশ, সাগর অতল।”

হয়ে উঠুন স্বাবলম্বী। গড়ে তুলুন বেকারমুক্ত ডিজিটাল বাংলাদেশ।

নিজের ওয়েবসাইট এ নিজেই লাখপতি কোর্স।

কমপক্ষে ৫ লাখ টাকা ইনভেস্ট করে একটা বিজনেস করতে গেলে আপনার লস হতেই পারে। কিন্তু মাত্র ৩,০০০/= টাকা খরচ করে একটা ওয়েবসাইট বানালে আপনার লসের পরিমাণ ০.০০%। জী, গ্যারান্টিড! তবে, যা দরকার হবে তা হলো,

১. সঠিক পরিকল্পনা  (স্ট্রেটেজি)।

২. .ওয়েবসাইটটির পরিচর্যা। অর্থাৎ প্রতিদিন ১ ঘন্টা করে নির্দিষ্ট করে কিছু কাজ।

৩. ৬ মাস সময়।

৪. অভিজ্ঞ শিক্ষক।

একজন কৃষকের মাটি কাঁদার মধ্যে কাজ করে, লাঙ্গল চষে ফসল ফলাতেও ৬ মাস লাগে। আর আপনি দীর্ঘমেয়াদী আয় নিশ্চিত করতে আপনার এন্ড্রয়েড মোবাইল বা ল্যাপটপে বসে প্রতিদিন অল্প কিছু কাজ নিজের জন্য করে সাবলম্বী  হতে পারবেন না, একথা বললে তো সব থেকে অলস ও ধীর গতির প্রাণী শ্লথও লজ্জা পাবে!

(প্রোডাক্ট আপনার বিজনেস করিয়ে দেবার দায়িত্ব আমাদের। ওয়েবসাইট তৈরি থেকে শুরু  করে মার্কেটিং করে প্রোডাক্ট সেল করে দেয়ার সম্পূর্ণ  দায়িত্ব ও আমরা  নিয়ে থাকি। যদি আপনি চান। আমাদের আছে দক্ষ একটি আইটি টিম। তবে এটা সত্য আমাদের টিম মেমবার তৈরি হয়েছে আমাদের বেস্ট স্টুডেন্ট গুলো থেকে। সুতরাং, আপনি ও যদি নিচের কোর্স গুলো কমপ্লিট করে নিজেকে বেস্ট হিসেবে প্রæভ করতে পারেন সেক্ষেত্রে আমাদের আইটি টিম এ আপনিও যোগ দিতে পারেন। সেক্ষেত্রে কাজ করে টাকা আয় করে আপনি আপনার কোর্স ফি পরবর্তীতে তুলে নিতে পারেন।

সত্যি কথা বলতে আমার এই ওয়েবসাইট টি অর্থাৎ MahmudSir.com মনে হয় আমি শুধু শুধু ফাও বসিয়ে রাখার জন্য তৈরি করিনি। এটা হচ্ছে আমার একটা রেভেনিউ জেনারেট করার মেশিন। এখান থেকে বিভিন্ন ভাবে রেভেনিউ জেনেরেট হয় বলেই কিন্তু প্রায় তিন বছর ধরে আমি আমার এই ওয়েবসাইট টি চালিয়ে যাচ্ছি। MahmudSir.com একটি  দেশীয় ওয়েবসাইট। যা মূলত আমি আমার বাংলাদেশী স্টুডেন্টদের জন্য বা অডিয়েন্স এর উপর ফোকাস করে বানিয়েছি। এরকম বা একটু ভিন্ন পলিসি এর উপর ভিত্তি করে তৈরি করা আমার আরও ৩ টি ওয়েবসাইট আছে, যেগুলো কিনা আমার টাকা ছাপার মেশিন বলতে পারেন! 

এখন আমি আমার ৮ বছরের অভিজ্ঞতা আপনাদের সাথে শেয়ার করতে যাচ্ছি নিচের এই লেভেল বাই লেভেল কোর্সগুলোর মাধ্যমে। যে আমি কিভাবে দেশ অথবা বিদেশ টারগেট করে একটা প্রফিটেবল বিজনেস ওয়েবসাইট তৈরি করি এবং আপনিও কিভাবে তৈরি করতে পারবেন। সত্যিই বলতে কী এই সিক্রেট ফর্মূলা গুলো আসলে খুবই সহজ কিন্তু সময়সাপেক্ষ। আমি আপনাকে কখনই শর্টকাট রাস্তা দেখাতে পারবো না, যার ফলে দুইদিন পরেই আপনি মুখ থুবড়ে পড়বেন। এবং নিরাশ হবেন। আমার থিওরি হচ্ছে, যা শেখাবো ভালো ভাবে শেখাবো, যাতে আমার স্টুডেন্ট পরে তা কাজে লাগাতে পারে। আর এ কারণেই আমি খুব অল্প সংখ্যক স্টুডেন্ট আমার প্রতিটি কোর্সের ব্যাচে নিয়ে থাকি এবং নিজের সম্পর্কে খুব বেশি কখনও মার্কেটিং না করার চেষ্টা করি। আমি বিশ্বাস করি, বৃক্ষ তোমার নাম কি? ফলে পরিচয়।

এই কোর্সগুলো মূলত ব্যবসায়ী এবং উদ্যোক্তাদের জন্য যারা নিজেরাই তাদের ব্যবসা গুলোকে অনলাইন এ আরও প্রসারিত করতে চাচ্ছেন অথবা নতুন একটি বিজনেস শুরু করে উদ্যোক্তা হতে চাচ্ছেন অনলাইন এ।

এই কোর্স তার জন্য যিনি অফলাইন এ কোন একটি প্রতিষ্ঠান শুরু করেছেন, হতে পারে সেটি কোন একটি প্রাইভেট স্কুল অথবা কোন একটি এন.জি.ও এবং এখন প্রচুর স্টুডেন্ট আকৃষ্ট করার জন্য অথবা ফান্ড রেইজ করার জন্য  বা ডোনার পাবার জন্য একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে চাচ্ছেন ও ওয়েবসাইটটি মার্কেটিং এর মাধ্যমে নিজেদের প্রতিষ্ঠান এর পরিচিতি অনলাইন এ বিস্তার করতে চাচ্ছেন।

আপনি নিশ্চয় বুঝতে পারছেন, এই বর্তমান অনলাইন এর যুগে অধিকাংশ মানুষের উপস্থিতি অনলাইন প্লাটফর্মগুলোতে। হতে পারে সেটা ফেসবুক, বা ইউটিউব এমনকি গুগল  সার্চ পেজ এ। আর তাই শুধুমাত্র আপনার প্রতিষ্ঠানের জন্যই নয়, একজন ব্যক্তি মানুষ হিসেবে আপনার একটি অনলাইন আইডেনটিটি বা এক্সজিসটেন্স থাকা প্রয়োজন, যাতে করে আরও পাঁচটি মানুষ আপনাকে চেনে, আপনার সাথে নতুন নতুন বিজনেস ডিল করতে অটোমেটিকালি চলে আসে। আর এক্ষেত্রে, বর্তমানে শুধুমাত্র একটি পার্সোনাল বিজনেস ওয়েবসাইট ই পারে আপনার অনলাইন আইডেনটিটি বা অস্তিত্ব গড়ে তুলতে। নিয়ে যেতে পারে আপনাকে ৫০ গুণ বেশি এগিয়ে আপনার অফলাইন ব্যবসায়িক প্রতিযোগী গুলো থেকে। হয়তো আপনার নেক্সট ১০ টি মূল্যবান ব্যবসায়িক সম্পর্ক বা কাস্টমার তৈরি হতে পারত অনলাইন এ। কিন্তু শুধুমাত্র এখানে আপনার কোন অস্তিত্ব না থাকার কারণে সেগুলো হাতছাড়া হয়ে গেলো! কারণ, এই অনলাইন যুদ্ধের ময়দানে কেই বা চেনে আপনাকে? অফলাইন ব্যবসার ক্ষেত্রে আপনি যত বড় ঝানু ব্যবসায়ীই হয়ে থাকেন না কেন, এই অনলাইন ব্যবাসায়িক যুদ্ধের ময়দানে, আপনি ‘ঢাল-তলোয়ার বিহীন নিধিরাম সরদার’ ছাড়া আর কিছুই নন। 

ইয়েস, ইউ আর জাস্ট নাথিং হিয়ার!

আপনি নিজে এই কোর্সগুলো করে অনলাইন এ আপনার বিজনেস রান করাতে পারেন, অথবা কোর্স করার মত যথেষ্ট সময় এখন আপনার হাতে না থাকলে সরাসরি MahmudSir4English@gmail.com এ কন্টাক্ট করতে পারেন। কি অবাক হচ্ছেন, যে আমি সরাসরি আমার আইটি ফার্ম রিলেটেড কোন ইমেইল এড্রেস ব্যবহার করছি না! একটু গভীরভাবে ভাবুন, হয়তো বুঝতে পারবেন। আমার কাছে অথোরিটিশিপ বা লয়্যালটি টা ইমপরট্যানট। বিশ্বস্ততা বা পূর্বপরিচিতি হল সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ বিজনেস এর ক্ষেত্রে, একজন ব্যবসায়ী হিসেবে একথা নিশ্চয় আপনিও জানেন। হুম, ব্যাপারটি আমার ক্ষেত্রেও সত্য। আমার কাছে তারাই আসবে, তারাই সাধারণত আমার সার্ভিসগুলো নেবে যারা আমাকে দীর্ঘদিন ধরে চেনে। আমার সার্ভিস এর কোয়ালিটি সম্পর্কে জানে, আমি কেমন মানুষ সেটা বোঝে। তাই, এটাই আমার বিজনেস পলিসি বলতে পারেন!

প্রথমে আমাকে জানুন, চিনুন। দরকার হলে আমার ইংরেজি গ্রামার রিলেটেড ক্লাসগুলো ইউটিউব থেকে বা আমার ওয়েবসাইট থেকে করুন। আমার সম্পর্কে গুগলে সার্চ করুন, তারপর আমাকে বিশ্বাস হলে কেবল তখনি আমার আইটি রিলেটেড সার্ভিসগুলো নিতে পারেন বা কোর্সগুলোতে  এটেন্ড করতে পারেন।

না হলে কী দরকার বলুন, যে কি না আপনার কাছে এখনো অচেনা, এমন একজন মাহমুদ স্যার এর কাছ থেকে কোর্সগুলো করবেন বা তার আইটি টিম থেকে বাজেটের মধ্যে কোয়ালিটি নিশ্চিত আইটি সার্ভিসগুলো নিবেন। আমি আপনার জায়গায় হলে, কখনই এমনটা করতাম না। আর তাই আপনাকেও বলব এমনটা না করতে। প্রথমে ইউটিউবে বা গুগলে “Mahmud Sir Youtube” লিখে সার্চ দিন, একাডেমিক ক্লাস রিলেটেড ভিডিওগুলো দেখুন তারপর না হয় আমার কোর্সগুলো আপনি করবেন বা আইটি সার্ভিসগুলো নিবেন। আবারও বলে রাখি আমি সবার জন্য নই। আমি শুধু তাদেরই জন্য যার সাথে আমার একটি আন্তরিক সম্পর্ক তৈরি হয়েছে, বিশ্বস্ততা তৈরি হয়েছে। আর আমি মনে করি বিশ্বস্ততা বা গুড রিলেশন তৈরি হবার প্রথম পর্যায় হল আমাকে ইউটিউব এ, ফেসবুক নক করা অথবা সরাসরি আমার ওয়েসাইট MahmudSir.com  এর মাধ্যমে দুই একটি কোর্স করে চেক করা যে আসলেই আমি মানুষকে তাদের প্রাপ্য ভ্যালু আমার কোর্সগুলোর মাধ্যমে দিচ্ছি কি না…।

আমার দক্ষ স্টুডেন্টদের নিয়ে গড়া আমার আইটি টিমে আমরা আপনার ওয়েবসাইট তৈরি সহ যাবতীয় মার্কেটিং রিলেটেড আইটি সার্ভিস প্রদান করে থাকি। আমরা মানথলি নির্দিষ্ট ফি রেখে আপনার ই-কমার্স বিজনেস ওয়েবসাইট অথবা অন্যান্য প্রতিষ্ঠান রিলেটেড সার্ভিস ওয়েবসাইট অনলাইন এ দাড় করিয়ে দেই। আমরা আমাদের এই আইটি রিলেটেড সার্ভিসগুলো শুধুমাত্র লোকালি দিয়ে থাকি। অর্থাৎ, এই MahmudSir.com ওয়েবসাইটের মাধ্যমে শুধুমাত্র আপনি আইটি সার্ভিস নিতে পারবেন, কেবল যদি আপনি বাংলাদেশের নাগরিক হন।

আমাদের আছে দক্ষ গ্রাফিক ডিজাইনার, প্রোডাক্ট ইমেজ এডিটর, ওয়েবসাইট ডিজাইনার, পেইড ফেসবুক ক্যামপেইনার, পেইড গুগল এডভার্টাইজার, এস.ই.ও স্পেশ্যালিস্ট এবং আপনার ওয়েবসাইটের জন্য বাংলা বা ইংরেজি আর্টিকেল বা কন্টেন্ট রাইটার।

সুতরাং, আপনার প্রডাক্টগুলো অনলাইনে মার্কেটিং করে বিক্রয় করে দেয়া আমাদের জন্য খুবই সহজ একটা ব্যাপার,  যেটা কিনা এই মুহুর্তে আপনার কাছে পাহাড় সমান কঠিন মনে হচ্ছে! অভিজ্ঞতা একটা বড় ব্যাপার অনলাইন বিজনেস করার ক্ষেত্রে, দুঃখজনক হলেও সত্য, যেটা এই মুহূর্তে আপনার কাছে নেই। আর সেজন্যই আপনার জন্যেই আপনার জন্য আছে আমাদের দক্ষ আইটি টিম বা কোর্সগুলো। চয়েস আপনার। বিজনেস দাড় করাতে কোর্সগুলো করবেন, নাকি আমাদের দক্ষ আইটি টিমের  সাহায্য নিবেন?  

একটা কথা মনে রাখবেন… অফলাইন এ হয়তো আপনি অনেক পাকা বিজনেসম্যান, একজন স্কিলড্ ফাইটার। কিন্তু, অনলাইন বিজনেস এমন ই এক যুদ্ধের ময়দান যেখানে সঠিক স্ট্রেটেজি ছাড়া আপনি একা না বোকা!

আপনি হয়তো কোন প্রাইভেট ব্যাংক বা কোম্পানি তে গাধার মত খাটছেন, সাথে বসের কটূক্তি, মানথলি টার্গেট ফিলআপের ঝামেলা এবং টার্গেট বা গোল ফিলআপ করতে না পারলে যেকোনো সময় চাকুরী হারানোর ভয় তো আছেই! এমন ঘটনা, অহরহ ঘটছে। কিন্তু আপনার কী মনে হয় না, যে এই যে আপনি টাকা আয় করছেন, এই টাকা থাকতে থাকতে পাশাপাশি সাইডে এমন কোন একটি বিজনেস শুরু করতে পারলে ভালো হতো, যেখান থেকে দীর্ঘমেয়াদী ভাবে পরোক্ষভাবে বা প্যাসিভলি আপনি টাকা আয় করতে পারবেন, ইকোনমিক ফ্রিডম পাবেন? কোন বস এর ঝাড়ি আপনাকে শুনতে হবে না…!

হ্যা, প্রায় একশত বা তার বেশি প্রাইভেট জব হোল্ডারদের উপর জরিপ চালিয়ে আমরা ঠিক এই তিক্ত চিত্রই ফুটে উঠতে দেখেছি। আর আমরা জানি, আপনিও তার ব্যতিক্রম নন…। পৃথিবীতে এসেছেন কি শুধুমাত্র অন্যের গোলামী করার জন্য…? নিশ্চয় না। আপনারও অধিকার আছে সুন্দর, স্বাধীন একটা জীবন পাবার! আর “ নিজের ওয়েবসাইট এ লাখপতি ”, এই কোর্সটি বা এর সাথে সংশ্লিষ্ট আইটি টিম ই পারে আপনাকে সেই মুক্তি।

তাই এখনই ভাবুন… আপনি পরবর্তী ৩০ বছর ধরে শুধুমাত্র নিজেকে কলুর বলদ হিসেবেই দেখতে চান, লোকের ঘানি টেনে যেতে চান? নাকি নিজেই নিজের বস হতে চান? 

ইকোনমিক ফ্রিডম চান? আপনার এখন যা আছে সেটা হলো ইকোনমিক সলভেন্সি। আর সত্যিকার অর্থে, ইকোনমিক ফ্রিডম ছাড়া, ইকোনমিক সলভেনসি কখনই আপনাকে সুখী করতে পারবে না। ধনী আর মধ্যবিত্তের মধ্যে পার্থক্য হলো, মধ্যবিত্তেরা রিস্ক নিতে ভয় পায়, নিজের খোলস ছেড়ে বেড়িয়ে আসতে চায় না। গতানুগতিক চিন্তার মধ্যে নিজেকে আবদ্ধ রাখে। আর তাই তাদের অবস্থার পরিবর্তন হয় না। কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ভাষায় বলতে গেলে, “অতিকায় হস্তি লোপ পাইয়াছে, কিন্তু তেলাপোকাটি টিকিয়া আছে।” কিন্তু আমি বলব তেলাপোকাটির মত বস এর কাছে মাথা হেট করে টিকিয়া থাকাটা ই কী জীবনের সার্থকতা! নাকি, এই একটিমাত্র জীবন, জীবনের মত করেই উপভোগ করা উচিত? এবং সেটা মাথা উঁচু করে।

তাই বলে আমি কিন্তু মেইন সোর্স অব ইনকাম ছেড়ে বোকার মত জব থেকে বেড়িয়ে আসতে বলছি না। আমি আপনাকে বলছি আপনি আপনার মেইন সোর্স অব ইনকাম অর্থাৎ (৯টা-৫টা) অফিস জব করবেন, কিন্তু সাথে কয়েকটি প্রফিটেবল ওয়েবসাইট তৈরি করে রেখে আপনার প্যাসিভ ইনকাম এর ব্যবস্থা করে রাখবেন। যাতে হঠাৎ কোন এক ঝড়ে আপনাকে মুখ থুবড়ে পড়তে না হয়। আপনি কী সঠিক হিসাব বা স্ট্যাটিসটিকসটি জানেন যে এই করোনা মহামারী বা প্যানডেমিক এর লকডাউন অবস্থার কারণে সারা বিশ্বজুড়ে এমনকি আমাদের দেশেও কত লক্ষ মানুষ বেকার হয়ে পড়েছে? যদি খুব জানতে ইচ্ছা করে তবে একটু গুগল করবেন… অথবা Bloomberg ওয়েবসাইটটিতে গিয়ে একটু ঢুঁ মারবেন! 

তাবৎ বিশ্বের ব্যবসায়িক হালহকিকাত সম্পর্কে একটু খোঁজ-খবর রাখবেন। সময় পেলেই একটু গুগল করবেন। গুগল করা স্বাস্থ্যের জন্যে ভালো… হা হা। আমার মনে হয় আপনি জানেন কোন অস্ত্রই তত শক্তিশালী নয়, যতটা শক্তিশালী নলেজ বা জ্ঞান। আপনাকে একটা প্রশ্ন করি, বলুনতো একটা অক্ষরজ্ঞানহীন সন্ত্রাসী আর একটা হাইলি এডুকেটেড সন্ত্রাসী এর মধ্যে কে বেশী ভয়ঙ্কর? উত্তরটা আপনি আমাকে কমেন্ট এ দিবেন।

আর যদি উত্তর জানা নাই থাকে তবে হুমায়ূন আহমেদ স্যারের “আঙ্গুল কাঁটা জগলু” পড়ে নিবেন। কাজে লাগবে। যেখানে শহরের সবথেকে বড় সন্ত্রাসী টি ছিলো বছর পয়ত্রিশের জগলু। মজার ব্যাপার হচ্ছে, এই জগলুর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজী সাহিত্যের উপর নেয়া একটা ডিগ্রী ছিল। 

এরপরও কমেন্টে প্রশ্নটির উত্তর করতে সমস্যা হলে উইকিপিডিয়া থেকে লাদেন, হিটলা কিংবা আকেজান্ডার দ্য গ্রেট এর বায়োগ্রাফি পড়ে নিবেন। আশা করি, সহজ উত্তর পেয়ে যাবেন।

তাই আবারও বলছি, নলেজ ইজ দ্য মোস্ট পাওয়াফুল উইপেন। আর গুগল আমাদের ফ্রি ফ্রি সেই নলেজ দেয়। তো ব্যাপারটা খারাপ নয়, যদি আমরা গুগলের কাছ থেকে প্রায়ই নলেজ কালেক্ট করি। গুগলের মত এমন দিল দরিয়া টিচার ভবে পাবো আর কোথায়! (যদিও গুগলও আমাদের ফ্রি ফ্রি নলেজ দেয় না। বরং, আমাদের পার্সোনাল তথ্যগুলো নিয়ে আমাদের দিয়েই বিলিয়ন ডলারের ব্যবসা করে। যাইহোক, ব্যবসা ব্যাপারটা ততটা খারাপ নয়। বিজনেস করতেই পারে… বিজনেস করা হারাম কিছু নয়, যতক্ষণ না এটাতে কারও ক্ষতি হচ্ছে। তাদের ব্যাপার। আমরা আর তাদের ব্যাপারে নাক না গলাই। নিজের নাক নিজের কাছেই রেখে দেই। হা হা!

  ওকে, তা যা বলছিলাম। নলেজ কেনা খারাপ কিছু নয়। আমিও নলেজ কিনি। প্রায়ই কিনি। বিভিন্ন দেশি বিদেশি এক্সপার্ট দের কাছ থেকে… এমনকি পপুলার নয় এমন মানুষ এর ভিডিও থেকে। কারণ, আমি জানি প্রতিটা মানুষের কাছ থেকেই অনেক কিছুই শেখার আছে… মাঝে মাঝে  আমি ক্লাস থ্রি, ফোরের বাচ্চাদের সাথে কথা বলি। তাদের কাছ থেকে এমন কিছু জানতে ও শিখতে পারি যা আমি আগে কখনও ভেবে দেখেনি। আবার, কখনও এইচ.এস.সি এর কোন এক কলেজ স্টুডেন্ট এর কাছে চলে যাই। গল্প করি, এই তরুণ গুলো এর সাথে গল্প করে আমি আইডিয়া পাই বর্তমান ইয়াং জেনেরেশান ও তাদের সাইকোলজি সম্পর্কে। আবার, কখনও গল্প জুড়ে দেই কোন এক বিসিএস ক্যাডারের সাথে। পাই সম্পূর্ণ নতুন এক আইডিয়া। চলে যাই আমার বৃদ্ধ নানার কাছে, পাই জীবন সম্পর্কে  সম্পূর্ণ নতুন এক দৃষ্টিভঙ্গি। তো যা বলছিলাম, জীবনে শেখার কোন শেষ নেই। আর ঠিক ঐ “স্লাম ডগ মিলিয়নিয়ার” মুভি টির মত জীবনের প্রতি টি শিক্ষাই খাপে খাপে মিলে যায়… কোথাও না কোথাও মিলে যায়। হয়তো অনেক বলে ফেললাম। বোরড হলে আর পড়ার প্রয়োজন নেই 🙂

ফিরে যাই প্রসঙ্গে, পৃথিবীর অন্যতম মাল্টি-বিলিয়নার, ওয়ারেন বাফেট এর ভাষায়, “সবগুলো ডিম একপাত্রে রাখতে নেই।” অর্থাৎ আপনার শুধুমাত্র একটাই ইনকাম সোর্স থাকা উচিত নয় বা শুধুমাত্র এক জায়গায় টাকা ইনভেস্ট নেই। বরং, বেশ কয়েকটি ইনকাম সোর্স বা ইনভেস্ট অপশন রাখুন। একটা গোল সেট করুন যে এখান থেকে ৬ মাস বা ১ বছর পরে অবশ্যই আপনার ইনকাম প্রতিমাসে ৫০,০০০ টাকা বা ১০০,০০০ টাকা হবে। এবং সেই অনুযায়ী ডেইলি নির্দিষ্ট কিছু সময় হাতে রেখে কাজ করে যান। সফলতা আসবেই। এভাবেই মানুষ অর্থনৈতিকভাবে সফল হয়। (অর্থনৈতিক ভাবে সফল এই কথাটি ব্যবহার করলাম কারণ, আইনস্টেইন এর থিওরি অব রিলেটিভিটির মত সফলতার সংজ্ঞাও আপেক্ষিক বা সহজে বলতে গেলে সিচুয়েশন অনুযায়ী ভিন্ন। কোন এক সুন্দরীর সাথে ৫ ঘন্টা সামনাসামনি কথা বললেও মনে হবে ৫ মিনিট কথা বলেছি, আবার আগুনে ৫ সেকেন্ড হাত রাখলেও মনে হতে পারে ৫ বছর ধরে জ্বলছেন।)

অনেক গল্প আর আড্ডা দেয়া হল আজ আপনার সাথে। আমি বেশ এনজয়ই করলাম। জানি না আপনি এনজয় করেছেন কিনা…। খুব বেশি ভালো লাগলে একদিন না হয় এক সাথে চা খেতে যাওয়া যাবে কোন একদিন… হা হা!

এবার কাজের কথায় আবার ফিরে আসা যাক। যা বলছিলাম… আপনি যদি সত্যি এই মুহূর্তে আর্থিকভাবে সফল হতে চান তাহলে…

আপনাকে নিচের কোর্সগুলো ধাপে ধাপে করতে হবে। শুধুমাত্র অনলাইন বিজনেস এ দীর্ঘমেয়াদীভাবে সফল হতে চাইলে, অন্যথায় কোন অবস্থায়ই নয়। যদি মনে হয় আপনি পারবেন না, আপনাকে দিয়ে হবে না, আপনি এখান থেকে ৫ বছর পরে নিজেকে একজন আত্মনির্ভরশীল ধনী মানুষ হিসেবে দেখতে চান না, তাহলে এই কোর্সগুলো করার আপনার কোন দরকার নেই।

আবার শুধু মাত্র ওয়েবসাইট খুলে রেখে রেগুলার কাজ না করে চুপ করে বসিয়ে রাখার প্লান থাকলে দয়া করে এই কোর্স করে নিজের ক্ষতি করার দরকার নেই, পরে আপনার মনে হতে পারে মাহমুদ স্যার কী শেখালো, ইশ… আমার কোর্সের টাকাগুলোই জলে গেল!

আপনার এই মহামূল্যবান সময় দয়া করে আপনি ফেসবুক ব্রাউজিং এ, টিভি অথবা মুভি দেখে অথবা বন্ধুদের সাথে আড্ডা-গল্পে দিন!

সহজে শেখার সুবিধার্তে আমি সম্পূর্ণ কাজগুলো লেভেল বাই লেভেল এ ভাগ করে দিয়েছি। একবারে সবগুলো কোর্স করার দরকার নেই। লেভেল মেইনটেইন করে কাজ করুন। এক্সপেরিয়েন্স একদিনে হয় না। অনেক সময় লাগে। এখানে যে কোর্স গুলো দিয়েছি, সেগুলো আমার ৮ বছরের এক্সপেরিয়েন্স এর ফল। একবারে সব নিতে গেলে গুলিয়ে ফেলবেন! আমি খু.বি তে ইংরেজি সাহিত্যের উপরে পড়ালেখা করেছিলাম, তারপর ওয়েব কোডিং শিখেছিলাম, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল থেকে গ্রাফিক ডিজাইন এন্ড মাল্টিমিডিয়া ট্রেনিং করেছিলাম, বিভিন্ন শিক্ষকদের কাছ থেকে এডভান্স এস.ই.ও এবং সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং ট্রেনিং করেছিলাম, বিভিন্ন ইন্টারন্যাশনাল অনলাইন ট্রেনিং গ্রহন করেছি, এগুলো উপর প্রচুর স্টাডি ও রিসার্চ  করেছি এবং তারপর আমার ৪ টা ওয়েবসাইট এ এই কালেকটেড নলেজ গুলো ওয়েবসাইট গুলো এপ্লাই করেছি এবং রেজাল্ট পেয়েছি। দুঃখের বিষয় আমার এই একট ওয়েবসাইট তো আপনারা এখানে দেখতে পাচ্ছেন, আর বাকী তিনটি ওয়েবসাইট এর ইনফরমেশন আমি আপনাদের সাথে কখনই শেয়ার করব না, এমনকি আপনি আমার কোর্সগুলো করলেও নয়। কারণ, আমি কেন আমার বিজনেসগুলোকে ক্ষতির সম্মূখীন করব আপনার জন্য। কারণ, বাংলাদেশের কিছু মানুষ আছে যারা প্রতিযোগিতায় এবং কাজে বিশ্বাসী নয়। তারা  হিন্দি “থ্রি ইডিয়টস” মুভির সেই ‘চতুর বা সাইলেন্সার’ নামক হাস্যকর চরিত্রটির মত বিশ্বাস করে – কোন কিছুতে প্রথম হতে চাইলে হয় নিজেকে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে, আর নয়তো অন্যের কাজে ক্ষতি হতে পারে এমন কোন সিচুয়েশন সৃষ্টি করতে হবে। আপনার নিশ্চয় মনে করতে পারছেন, পরীক্ষার আগের দিন গুলোতে এই সাইলেন্সার স্টুডেন্টদের রুমের দরজার নিচ দিয়ে কী সাপ্লাই দিয়ে চলে যেত। হা হা! তো ব্যাপারটা তাই। আমি কখনই আমার বাকী তিনটি প্রফিটেবল সাইট ডিটেইলস আপনাদের সাথে শেয়ার করব না, যেগুলোর মেইন ইনকাম সোর্স হল বিভিন্ন ধরনের এফিলিয়েট, ড্রপশিপিং, গুগল এডসেন্স ও কিছু অফশোর আউটসোর্সিং সার্ভিস। তবে আমি যেটা করি, সেটা হল আমার স্টুডেন্টদেরকে তাদের দক্ষতা অনুযায়ী নিশ সিলেক্ট করে দেই, আমার ওয়েবসাইটগুলোর মত ঠিক একই ফর্মূলা ইউজ করে তাদের একটি করে প্রফিটেবল ওয়েবসাইট দাড় করিয়ে দেয় ডেটা ড্রাইভেন ডিজিটাল মার্কেটিং টেকনিক এর উপর ভিত্তি করে। যাতে তারাও একসময় স্বাবলম্বী হতে পারে। 

তাহলে, দেখতে পাচ্ছেন একলাফে গাছে ওঠা যায় না। তাই যদি সত্যিই ফ্রুটফুল কিছু করতে চান তাহলে লেভেল ১, লেভেল ২ এভাবে কোর্স গুলো করতে থাকুন। প্রথম থেকে একটা কোর্স শেষ করুন, একটি কোর্স করে কিছু টাকা আয় করুন তারপর পরের লেভেল এর কোর্স করুন। আর আপনার যদি মনে হয় আগের লেভেলগুলো কমপ্লিট না করলেও কোন একটি নির্দিষ্ট  কোর্স করার মত কোয়ালিটি আপনার আছে বা তৈরি হয়েছে, তাহলে এটা আপনার উপর, আপনি যেকোনো একটা কোর্স করা শুরু করতে পারেন।

তবে মনে রাখবেন, লেভেল যত আপ হবে তত এডভান্সড টেকনিক সেখানো হবে, যেখানে আগের লেভেল এর নলেজ কাজে লাগবে।

তাই সক্রেটিস এর ভাষায়, “নিজেকে আগে জানুন।” নিজের ক্যাপাবিলিটির উপর ভিত্তি করে কোর্স লেভেল বাছাই করুন। আবার এটা ভুলে গেলেও চলবে না… মানুষ বড় তার স্বপ্নের সমান। স্বপ্ন দেখুন, কাজ করুন। শুধু স্বপ্ন দেখলে চলবে না, সেটি নিয়ে কাজ করতেও হবে।

চলুন তবে শুরু করি…।

লেভেল ১:  নোভিস লো (নিজের ওয়েবসাইট এ লাখপতি কোর্স) / (সহজ ওয়েবসাইট ব্যবসা কোর্স)।

সিলেবাস: 

  • আপনার ইন্টারেস্ট বা স্কিল খুজে বের করা।
  • সেই ইন্টারেস্ট বা স্কিল ব্যবহার করে আসলেই টাকা ইনকাম করতে পারবেন কিনা যাচাই।
  • বাংলা অথবা ইংরেজি ভাষা সিলেক্ট করা ওয়েবসাইট এর জন্য।
  • আপনার ইন্টারেস্ট বা স্কিল ব্যবহার করে কিছু টপিক সিলেক্ট করা এবং তার উপর কয়েকটি কাস্টমার বা ভিজিটর কনভার্ট হতে পারে এমন কয়েকটি আর্টিকেল বা কন্টেন্ট লেখার টেকটিক।
  • ফ্রি ওয়েবসাইট তৈরি করা ব্লগস্পটে।
  • তৈরি ওয়েবসাইটটিতে আগে থেকে লিখে রাখা কোয়ালিটি আর্টিকেলগুলো সঠিক টাইম শিডিউল করে পোস্ট করা যাতে ম্যাক্সিমাম কাস্টমার বা ভিজিটর পাওয়া যায়। বিশেষ করে সোশ্যাল মিডিয়াতে এই মূল্যবান আর্টিকেলগুলো শেয়ারিং টেকনিক।
  • রাইটিং এর মধ্যে গুগল থেকে কপিরাইট ছাড়া ছবি সেট করা।
  • ওয়েবসাইট এ প্রচুর ভিজিটর আনা। (বেসিক এস.ই.ও , সোশ্যাল মিডিয় মার্কেটিং, ওয়েব ২.০ )

সীমাবদ্ধতা:

  • ওয়েবসাইট ঠিকানা নিজের পছন্দ মত না পাওয়া, ঠিকানা তে সবসময় বাড়তি এক্সটেনশন লেগে থাকবে।
  • ওয়েবসাইট ডিজাইন ইচ্ছামত চেঞ্জ করতে না পারা।

আয়ের সম্ভাবনা:

কমপক্ষে প্রতিমাসে ১০,০০০ টাকা বা তার বেশি, ৬ মাস পর। (আপনার পরিশ্রমের উপর নির্ভর করবে।)

কোর্স ডিউরেশন: কমপক্ষে ৫ দিন। দিনে ২ ঘন্টা করে। (বা তার থেকে বেশি দিন ও সময়)।

কোর্স ফি: মাত্র ৫০০ টাকা।

এই কোর্সটিতে রেজিস্ট্রেশান করতে এখানে ক্লিক করুন। লেভেল ১: নোভিস লো (নিজের ওয়েবসাইট এ লাখপতি কোর্স)

ডিসকাউন্ট চলছে, আর মাত্রঃ

লেভেল ২:  নোভিস মিড (নিজের ওয়েবসাইট এ লাখপতি কোর্স) / (সহজ ওয়েবসাইট ব্যবসা কোর্স)।

সিলেবাস: 

  • উপযুক্ত নামের ওয়েবসাইট ঠিকানা এবং হোস্টিং কেনা।
  • ডোমেইন হোস্টিং কিনতে সমস্যা হলে কোর্স ফি এর বাইরে ৩,৫০০ টাকা তে কমপ্লিট ওয়েবসাইট ডোমেইন হোস্টিং সেট করে রেডি করে দেয়া।
  • ওয়েবসাইট টি তে ওয়ার্ডপ্রেস সফটওয়্যার ইন্সটল দেয়া। (খুব সহজ, কম্পিউটার বা মোবাইল এপস ইন্সটল দেয়ার মত)।
  • লেখালেখি করার জন্য ওয়ার্ডপ্রেস সফটওয়্যার টি তে একটি থিম সেট আপ দেয়া। (এটা আরও মজার। মোবাইল এ ওয়ালপেপার চেঞ্জ করার মত।)
  • ওয়েবসাইটটির এখানে ওখানে ক্লিক করে নিজের মত করে একটু সাজিয়ে নেয়া।
  • ওয়েবসাইট এর লোগো এড করা। কোন সফটওয়্যা ছাড়াই নিজেরা লোগো বা বিজনেস আইকন বানিয়ে নেয়া।
  • ওয়েবসাইট এ লেখা পোস্ট করার আগে নিজের স্কিল অনুযায়ী টপিক খুঁজে বের করা।
  • সেই টপিক এর উপর অন্যদের থেকে ভালোভাবে ও সুন্দরভাবে বাংলা বা ইংরেজিতে আর্টিকেল লেখা।
  • পোস্ট করা রাইটিং গুলো তে বিভিন্ন টেকনিক ব্যবহার করে ভিজিটর নিয়ে আসা। (এস.ই.ও , সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এর মাধ্যমে।)
  • প্রতিদিন প্রচুর ভিজিটর আসা শুরু করলে গুগল এডসেন্স, এফিলিয়েট অথবা লোকাল ক্লায়েন্ট থেকে ব্যানার এডভারটাইজ এর মাধ্যমে  টাকা আয় করা বা আরেকটু মার্জিত ভাষায় বললে রেভেনিউ জেনেরেট করা। (হা হা)

সীমাবদ্ধতা:

ওয়ার্ডপ্রেস সফটওয়্যারটি আপনার কাছে নতুন। তাই প্রথমে একটু কেমন কেমন লাগবে! কিন্তু কয়েকদিন ইউজ করতে থাকলে সহজ হয়ে যাবে। আমাদের ভুলে গেলে চলবে না- “প্র্যাকটিস মেকস এ ম্যান পারফেক্ট।” (হা হা)

আয়ের সম্ভাবনা:

কমপক্ষে মাসে ১২,০০০ টাকা বা তার বেশি, ৬ মাস নিজের ওয়েবসাইটটিতে অনেস্টলি লেগে থেকে কাজ করার পর। (আপনার পরিশ্রমের উপর নির্ভর করবে)।